ek999 থেকে পাওয়া ছবি এডিটিং অ্যাপের কিছু সিক্রেট টিপস, জেনে নিন! 📸
· অফিসিয়াল
গৃহিণীর দৈনন্দিন জীবনে ek999 এর জাদু!
আমি একজন গৃহিণী। আজকাল তো সবারই ফোন ভর্তি ছবি থাকে, বিশেষ করে বাচ্চাদের আর রান্নার। আমিও টুকটাক ছবি তুলি, আর চাই সেগুলো দেখতে যেন আরও সুন্দর হয়। কিন্তু ভালো ছবি এডিট করার জন্য তো আর দামী সফটওয়্যার কেনা সম্ভব না। একদিন আমার ছোট বোনই বলল, “আপু, ek999 ওয়েবসাইটে দেখ, ওখানে কত ভালো ভালো ফ্রি অ্যাপ পাওয়া যায়।”
আমার প্রিয় ফটো এডিটর অ্যাপের লুকানো টিপস!
আমি ek999 থেকে একটা ছবি এডিটিং অ্যাপ ডাউনলোড করলাম। প্রথমে তো শুধু বেসিক কিছু এডিট করতাম – ব্রাইটনেস বাড়ানো, কালার ঠিক করা। কিন্তু কিছুদিন ব্যবহার করার পর কিছু দারুণ টিপস আবিষ্কার করলাম, যা আপনাদের সাথে শেয়ার করতে চাই:
- ১. অটো এনহ্যান্সের বদলে ম্যানুয়াল অ্যাডজাস্টমেন্ট: যদিও অটো অপশনটা সহজ, কিন্তু একটু সময় নিয়ে ব্রাইটনেস, কনট্রাস্ট আর স্যাটুরেশন নিজে হাতে অ্যাডজাস্ট করলে ছবিটা আরও প্রাণবন্ত হয়।
- ২. ‘ব্লার’ টুল দিয়ে ব্যাকগ্রাউন্ড ম্যাজিক: বাচ্চাদের ছবি তোলার সময় অনেক সময় ব্যাকগ্রাউন্ডে অপ্রয়োজনীয় জিনিস চলে আসে। ‘ব্লার’ টুল ব্যবহার করে ব্যাকগ্রাউন্ডটা হালকা ঝাপসা করে দিলে সাবজেক্ট (বাচ্চা!) আরও সুন্দর দেখায়।
- ৩. ‘হিলিং ব্রাশ’ দিয়ে দাগ দূর করুন: অনেক সময় ছবিতে ছোটখাটো দাগ বা স্পট থাকে। এই অ্যাপের ‘হিলিং ব্রাশ’ অপশনটা ব্যবহার করে সেগুলো খুব সহজে উধাও করে দেওয়া যায়। আমার পুরনো দিনের ছবিগুলোও এখন একদম নতুনের মতো লাগে!
- ৪. ‘ক্রপ’ করে ছবির ফোকাস ঠিক করুন: অনেক সময় ছবি তোলার পর দেখা যায় মূল বিষয়বস্তুটা ছবির এক কোণে চলে গেছে। ‘ক্রপ’ টুল দিয়ে অপ্রয়োজনীয় অংশ বাদ দিয়ে মূল বিষয়বস্তুর উপর ফোকাস করলে ছবিটা আরও আকর্ষণীয় হয়।
এই ছোট ছোট টিপসগুলো আমার ছবি এডিটিং অভিজ্ঞতাকে পুরোপুরি বদলে দিয়েছে। এখন আমি শুধু বাচ্চাদের ছবিই নয়, আমার বাগান, আমার রান্না – সবকিছুর ছবি সুন্দর করে এডিট করতে পারি। ek999 এর জন্য ধন্যবাদ, কারণ তারাই আমাকে এই দারুণ অ্যাপটা খুঁজে পেতে সাহায্য করেছে। আপনারা যারা ছবি ভালোবাসেন, একবার ek999 এ গিয়ে নিজেদের পছন্দের ফটো এডিটর অ্যাপটি খুঁজে দেখতে পারেন!